Sunday, November 24, 2019

দেব এবং জিত এখন আগেরমতো মুভি করেনা কেনো দেখুন


আমার মনে হয়না এমন কেউ আছেন যে দেবকে চেনেননা। জীবনে একবার হলেও কলকাতার কোনো মুভিতে দেবকে দেখেছেন। আমি ছোটবেলা থেকেই দেবের মুভি দেখে বড় হয়েছি। ইন্ডিয়ান বাংলা মুভির ফেভারিট নায়ক হচ্ছে দেব এবং জিৎ। এরাই ইন্ডিয়ান বাংলা মুভিকে সবসময় মাতিয়ে রাখতো। একটার পর একটা মুভি করেই যেতো এই দুইজন।

কিন্তু গত কয়েকবছর যাবৎ দেব এবং জিৎ তেমন কোনো মুভি করছেননা। এর কারণ হিসেবে জানতে চাইলে তারা বলেন আমাদের নতুন প্রজন্মকে সুযোগ দেওয়া উচিৎ। সবসময় যে আমরাই কাজ করে যাবো তা না। অনেক ট্যালেন্টেড হিরু রয়েছে তাদেরকেও কাজের সুযোগ দেওয়া উচিৎ।


এছাড়াও দেব জানান তিনি রিয়েল লাইফের বিভিন্ন কাজে ব্যস্থ থাকায় আগের মতো মিডিয়াতে সময় দিতে পারছেননা। তবুও বছরে কমপক্ষে একটি মুভি হলেও দর্শকদেরকে উপহার দেবেন বলে জানান তিনি।

অপরদিকে নায়ক জিৎও জানান তার ফ্যামিলিকে সে সময় দিচ্ছে। কিন্তু তবুও সে মিডিয়া জগতের বাহিরে নয়। এখনো নিয়মিত মুভি করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু সবসময় সবরমম সুযোগ হয়ে উঠেনা। তাই তিনি সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছেন।

দেব ও জিৎ দুজনই বলেন তারা আগে যেমন দর্শকদের মাতিয়ে রাখতেন। সামনেও এমন করবেন। তাদের ভালোবাসার মূল্য দেবেন। সবাই তাদেরকে ভালোবেসে যান এটাই তাদের চাওয়া।
আর দেবের বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন তুললে তিনি বলেন খুব শীঘ্রই তিনি বিয়ের পিরিতে বসবেন। তার পরিবারও চায় তিনি বিয়ে করে সাংসারিক জীবনে মনোযোগী হোক।
দেবের চাঁদের পাহার মুভিটি দর্শকদের মনে বেশ জায়গা করে নিয়েছে। এই টাইপের মুভি বাংলাতে খুব কমই দেখা যায়৷ এমন মুভি আরো উপহার দেবেন বলে জানান দেব। ২০২০ এ তার নতুন মুভি আসছে বলে জানান তিনি।

Tuesday, November 12, 2019

10 Best NEW Hotels in the World


A good hotel adds excitement and a luxurious vibe to the travel experience. It is a crucial part of a vacation/tour that adds to the memories of the trip. When looking for a holiday, you must look for a luxury stay at the most affordable price. If you wish to experience a comfortable stay then you might choose to stay in any of the under mentioned new hotels in the world:

The Armani Hotel, Burj Khalifa
The Armani Hotel in Burj Khalifa, Dubai has created world record by being the highest building ever built in the history of the world. Located near the Indian Ocean, it is an architectural masterpiece. The interior decoration gives a sense of perfection and every inch is diligently maintained. It is thus easily the best hotel in the world. It is, however, affordable only to the extremely rich and financially well off guests. This magnificent structure is located at the downtown Dubai and is easily accessible at $816 for a one day stay for two.


The Nolitan, Italy
The Nolitan luxury hotel in the north of “Little Italy” is one where travelers can spend their vacation in a soothing atmosphere with well colored and polished rooms. It is kept impeccably clean and is equipped with modern electronic gadgets and finely done rooms. Customers can book their stay during February only. The hotel allows guests to enjoy cycling and skating. You can find this beautiful paradise at 30 Kenmare street, Chinatown, Little Italy, New York. And this place is available at $259 per person stay overnight.

Aloft Brooklyn, NYC
This hotel in New York is a low cost hotel made in a simple, stylish design located at 216 Duffield street, Brooklyn, New York. It has a 24*7 meal serving system, “Bliss Spa toiletries” and a Wi-Fi connection. The cost of accommodation in this hotel for an individual is about $408 for a day’s stay.

W London
With 192 rooms for guests, it is a 10 storey building. It is covered with translucent glass and has a nightclub with a huge disco light as entertainment. The windows are from the floor to the room’s ceiling. The hotel is located at Leicester Square, 10 Wardour Street, London and costs around $650 per person for a day’s stay.

Corinthia, London
Corinthia hotel in London is another new hotel that is worth a stay. It boasts a traditionally British style of rooms and furniture, and looks modern at the same time. The services provided by the hotel are also impressive. Located in downtown London, this hotel offers a stay for two at the rate of $849 for night stay.

Shangri-La, Paris
The Shangri-La Paris is a well made hotel that was recently opened. It boasts of 81 rooms for guests, with most rooms and suites having a direct view of the Eiffel Tower. Most rooms have attached private balconies and terraces. One can locate this magnificent hotel at 10 avenue, D’Iena, 75116 Paris, France. And the rooms are available at US $925 per person for a day’s stay.

Peninsula Shanghai, China
Situated in Shanghai, China, this Asian hotel is luxurious and massive in size. The crafts and design is Chinese and has 235 rooms, apart from other attractions like wonderful dining services. This hotel is at No,32 The Bund, 32 Zhongshan, Dong Yi Road, Shanghai. The hotel offers best services and lounge facilities at US $765 per person for a day.

Mamilla Hotel, Israel
This hotel in Jerusalem with 194 rooms has grand luxurious accommodations, lobbies and several high quality bars. It is in a tranquil place and helps its guests to relax. This hotel is located at King Solomon St 11, Jerusalem, Israel. One can easily access this place for a room booking at $690 for a day’s stay.

Viceroy Anguilla Hotel
This hotel at Barnes Bay, West End, Anguilla in the Caribbean has well spaced rooms and has pools. It is surrounded by beautiful sceneries and will surely bring pleasure and rejuvenation to one’s holidays. A day’s stay for an individual at this hotel would reach up to a cost of US $594.

Best New Chalon
This hotel at Australia has well made suites suited for different groups; from family to friends. It serves free breakfast and has pools and a gym. The restaurant with it is also impressive. Located at 702 Bruce Highway, Cairns 4870, Australia, Best New Chalon is offers accommodation to the travelers at US $75.

A stay in any of these can be more than a fulfilling experience for the traveler. Though new, these hotels are no less than the already established hotels. So when holidaying in any of the cities, choose to get accommodation in the above mentioned hotels.

Article Source: http://EzineArticles.com/7757878

Saturday, November 9, 2019

অভিনেত্রীর চোখের জল মিথ্যে নয়

অভিনেত্রীর চোখের জল মিথ্যে নয়

সুইডিশ অভিনেত্রী এলি আভরাম। বিগ বসের মাধ্যমে ভারতীয় শোবিজ অঙ্গনে পা রাখেন তিনি। বর্তমানে বলিউড অভিনেত্রী হিসেবে বেশি পরিচিত। অন্যদিকে ভারতীয় ক্রিকেটার হার্দিক পান্ডের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন বলেও গুঞ্জন শোনা যায়। বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় উঠে আসেন এই অভিনেত্রী।

বালাজি টেলিফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত হচ্ছে ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ভার্ডিক্ট-স্টেট ভার্সেস নানাবতী’। এতে অভিনয় করেছেন এলি আভরাম। সম্প্রতি সিরিজটির ট্রেইলার প্রকাশিত হয়েছে। এতে কোর্টরুমে এলির কান্নার দৃশ্য দেখা যায়। গল্পের প্রয়োজনে অনেক কাঁদতে হয় এই অভিনেত্রীকে
এদিকে ডেকান ক্রনিকাল জানিয়েছে, কান্নার দৃশ্যটি গ্লিসারিন ছাড়াই করেছেন এলি।
শুটিং টিমের এক ব্যক্তি সংবাদমাধ্যমটিতে বলেন, ‘কোর্টরুমের দৃশ্যের জন্য অনেক রিটেক নিতে হয়েছে। এ সময় দৃশ্যটির জন্য সত্যি সত্যি কেঁদেছিলেন এলি। অন্য অভিনেতা-অভিনেত্রীর মতো কোনো প্রকার গ্লিসারিন ব্যবহার করেননি তিনি। যাইহোক, ট্রেইলারে আপনি এলির সত্যিকারের চোখের জল দেখতে পাবেন।’
২০১৩ সালে ‘মিকি ভাইরাস’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটে এলি আভরামের। এরপর অভিনয় করেন ‘কিস কিসকো পেয়ার কারু’, ‘নাম শাবানা’ প্রভৃতি সিনেমায়। এছাড়া তামিল, তেলেগু ও কন্নড় ভাষার সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী।

মিথিলা স্বীকার করলেন ফাহমির সঙ্গে সম্পর্কের কথা

মিথিলা স্বীকার করলেন ফাহমির সঙ্গে সম্পর্কের কথা
অভিনয় শিল্পী এবং উন্নয়নকর্মী রাফিয়াথ রশীদ মিথিলা ও পরিচালক ইফতেখার আহমেদ ফাহমির ব্যক্তিগত মুহূর্তের কিছু ছবি এবং ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি নিয়ে সোস্যাল মিডিয়া ও বিনোদন পাড়ায় তোলপাড় চলছে কয়েকদিন ধরে।
 
ফাহমি-মিথিলার মোট ১৮টি ব্যক্তিগত ছবি অন্তর্জালে ছড়িয়ে পড়েছে। কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে ইউটিউবে। এসব নিয়ে বিব্রত মিথিলা প্রথমে চুপ থাকলেও পরে সরব হয়েছেন। ফাহমির সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন।
মঙ্গলবার রাতে নিজের ফেসবুক থেকে দেয়া এক স্ট্যাটাসে মিথিলা জানিয়েছেন, ২০১৭-২০১৮ সালের দিকে পরিচালক ফাহমির সঙ্গে তার ‘প্রণয়ের সম্পর্ক’ গড়ে উঠে। তখনই এই ছবি বা ভিডিও করা হয়।
তিনি এটাও স্বীকার করেছেন, ব্যক্তিগত নথি নিজে সংরক্ষণ না করতে পারাও তার ব্যর্থতা।
 
ফাহমির ফেসবুক হ্যাকড হওয়ার কারণে মেসেঞ্জার থেকে এসব ছবি চুরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন মিথিলা।
এদিকে ব্যক্তিগত ছবিগুলো ফাঁস হওয়ায় আইনি পদক্ষেপও নিয়েছেন সুদর্শনী এ অভিনেত্রী। সাইবার অপরাধ বিভাগে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ করেছেন তিনি।
ফেসবুকে পোস্টে মিথিলা লিখেছেন, ‘কী ঘটেছে তার কোনো ব্যাখ্যা দিতে আসিনি। বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার কিছু ব্যক্তিগত ছবি নিয়ে যা হয়েছে, সেই সম্পর্কে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে চাই। এসব ছবির কিছু বাস্তব, কিছু মনগড়া। আমার সুনাম ক্ষুণ্ন করতে কিছু অপরাধী প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে এগুলো অনলাইনে ছেড়ে দিয়েছে।’
২০১৭-১৮ সালে ইফতেখার আহমেদ ফাহমির সঙ্গে মিথিলার সম্পর্ক ছিল। তাদের মধ্যকার সম্পর্ক থাকাকালের কিছু ছবি ফাঁস হয়েছে। সম্পর্কের কথা স্বীকার করে মিথিলা লেখেন- ‘ফাহমির ফেসবুক প্রোফাইল হ্যাক হয়েছিল। তখনই অপরাধীরা খারাপ উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য এগুলো খুঁজে নিয়েছে। এখানে ডেটিং শব্দটির ওপর জোর দিতে চাই, যার অর্থ আমরা একটি সম্পর্কে ছিলাম। সহজভাবে বললে- দুটি মানুষ একে অপরের সঙ্গে জড়ালে ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটায়, ছবি তোলে। প্রযুক্তির যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা এগুলো ভাগ করে নেয়। তবে নিজের গোপনীয়তা রক্ষা করতে না পারার দায় আমারই।’
তবে এসব ছবি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় মোটেও বিব্রত নন মিথিলা। পোস্টে তা সাফ জানিয়ে দিয়ে লিখেছেন- ‘আমার লজ্জা লাগছে এই ভেবে, দেশের কিছু কুৎসিত লোক আমার ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইচ্ছেমতো পোস্ট, শেয়ার ও ব্যবহারের সুযোগকে কাজে লাগিয়েছে। আমার খ্যাতি ও ভাবমূর্তিকে অসম্মান করে তারা সাবস্ক্রিপশন বাড়াচ্ছে ও নানান খবর ছড়িয়ে দিচ্ছে।’
মিডিয়াকে দোষারোপ করে এই অভিনেত্রী লেখেন- ‘আমাকে কার্যত ধর্ষণ করা হচ্ছে। আমার লজ্জা হয় সেসব মিডিয়ার জন্য, বিশেষ করে কয়েকটি নিউজ পোর্টাল আমার অনুমতি ছাড়াই আমাকে উদ্ধৃত করে এই খবর প্রকাশ করেছে। অথচ আমি এ নিয়ে কখনই কথা বলিনি বা কোনো বক্তব্য দিইনি। ঘরে-বাইরে, ভার্চুয়াল জগতসহ সর্বত্র যেকোনো জায়গায় নারীদের যৌন হেনস্তা করা হলে একইভাবে লজ্জিত ও ক্ষিপ্ত হই।’
নিজের অর্জনগুলো সামনে এনে মিথিলা লেখেন- ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমার সম্মান ও মর্যাদা শুধু আমার আকার আর পোশাকের কিংবা ব্যক্তিগত ছবির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। জীবনে কঠোর পরিশ্রম, সৃজনশীলতা ও শিক্ষার মাধ্যমে সব অর্জন করেছি। আমার অতীতের ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো চুরি করে কিছু অপরাধীর কুকর্মের কারণে এসব ভেঙে যাওয়ার মতো ঠুনকো নয়।’
নিজেকে শান্ত রাখতে ও ইতিবাচক মনোভাবের ওপর জোর দিতেই গত ২৪ ঘণ্টা ফাঁস হওয়া ছবি নিয়ে মুখ খোলেননি বলে জানান মিথিলা। তার আশা ছিল, এর মাধ্যমে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসতে পারবেন। তবে যেসব ফেসবুক গ্রুপ, পেজ ও অনলাইন পোর্টাল অনুমতি ছাড়া ফাঁস হওয়া ছবিসহ খবর প্রকাশ করেছে, তাদের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
সাইবার অপরাধ বিভাগে অভিযোগ জানানোর তথ্য দিয়ে মিথিলা হুশিয়ার করেছেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় যারা আমার মান-সম্মান নিয়ে খেলেছে, সেই দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে ছাড়ব। শপথ করছি, নিজের জন্য এবং হ্যাকার ও সাইবার অপরাধীদের শিকার হওয়া সবার জন্য লড়ব।’
সবশেষে দুঃসময়ে পাশে থাকার জন্য পরিবার, বন্ধু ও সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন মিথিলা। যদিও মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার পর স্ট্যাটাসটি মুছে ফেলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত সোমবার রাতে ফেসবুকের একটি গ্রুপ থেকে নির্মাতা ও পরিচালক ইফতেখার আহমেদ ফাহমির সঙ্গে মিথিলার অন্তরঙ্গ ছবি পোস্ট করা হয়। এর পর রাতেই ছবিটি ভাইরাল হয়ে পড়ে।
সকালে এ দুই শোবিজ তারকার একাধিক অন্তরঙ্গ ছবি বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট হতে থাকে। ছবিগুলো নিয়ে দিনভর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলতে থাকে। বিষয়টি নিয়ে বিনোদন অঙ্গনকে নাড়া দেয়। এ নিয়ে শোবিজের অনেক তারকাই তাদের মত ব্যক্ত করেছেন। অনেকে মিথিলার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। অনেকে প্রতিবাদ করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট ভালোবেসে সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসানকে বিয়ে করেন মিথিলা। তাদের সংসারে আইরা তেহরীম খান নামে এক কন্যাসন্তান রয়েছে। তবে দুজনের বনিবনা না হওয়ায় ২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে বিচ্ছেদে যান তারা।
পরে কলকাতার পরিচালক সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে একাধিকবার মিথিলাকে দেখা গেছে। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক নিয়েও গুঞ্জন রয়েছে। তবে বিষয়টি নিছক গুঞ্জন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন মিথিলা।

Monday, October 28, 2019

বাংলাদেশ বেতারে ১০৮ পদে চাকুরি

বাংলাদেশ বেতারে ১০৮ পদে চাকুরি

বাংলাদেশ বেতারে ১০৮টি শূন্য পদে বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তির বিস্তারিত জানা যাবে এই ওয়েবসাইটে
http://jobs.bdeverything.com। বাংলাদেশ বেতারে যে কোনো চাকুরির অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে নিয়োগের পূর্বে এ সংক্ষিপ্ত তথ্য প্রদান করতে হবে।
পদের নাম : বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর, ২০১৯
চাকুরির ধরন : সরকারি চাকুরি
পদের সংখ্যা : ১০৮
চাকুরির ধরন : পূর্ণকালীন
বয়স : কমপক্ষে ১৮ থেকে ৩০ বছর (০১-১১-২০১৯)
মাধ্যম : http://www.betar.gov.bd
দরখাস্ত শুরু : ২০ অক্টোবর ২০১৯
শিক্ষাগত যোগ্যতা : বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত
দরখাস্ত ফি : বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট : http://www.betar.gov.bd
দরখাস্ত পাঠানোর শেষতারিখ : ৬ নভেম্বর ২০১৯
বেতন : বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত
চাকুরির স্থল : বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত
আবেদন করার নিয়ম : বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী

ট্রাম্পকে অভিশংসনের তদন্তকে বৈধ বলে আদালতের রায়

ট্রাম্পকে অভিশংসনের তদন্তকে বৈধ বলে আদালতের রায়

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসনের (ইমপিচমেন্ট) তদন্তকে বৈধ বলে রায় দিলেন দেশটির আদালত। মার্কিন জেলা বিচারক বেরিল হওয়েল বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে রায় দিয়ে বলেছেন, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের অভিশংসন প্রক্রিয়া আইনসম্মত।
শুধু এটাই নয়, মার্কিন নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ ও ট্রাম্পের জড়িত থাকা-সংক্রান্ত সাবেক স্পেশ্যাল কাউন্সেল রর্বাট ম্যুলারের প্রতিবেদন কোনও রকম কাটাছেঁড়া না করেই হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস-এর বিচার বিভাগীয় কমিটির হাতে তুলে দিতে বলেছেন আদালত।
রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে নিজের নির্বাচনী ফায়দা তুলতে প্রতিবেশী দেশ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে অপর প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর বিরুদ্ধে তদন্তের অনুরোধ করার অভিযোগ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। কংগ্রেসে প্রস্তাব পাস না করিয়ে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা অভিশংসনের তদন্ত শুরু করায় আপত্তি তুলেছিলেন রিপাবলিকানরা।
তবে ব্যাপারটা পরিষ্কার করেছেন এ ভাবে, ‘অভিশংসনের ব্যাপারে হাউসের হাতে অনেক ক্ষমতা দেয়া আছে সংবিধানে। সুতরাং প্রস্তাব পাস করাতেই হবে, এমন বাধ্যবাধকতা নেই’। হাউসের বিচার বিভাগীয় কমিটি ম্যুলার প্রতিবেদন জমা দেয়ার তলব আগেই পাঠিয়েছিল।
ম্যুলার প্রতিবেদন আগামী বুধবারের মধ্যে কংগ্রেস কমিটির হাতে তুলে দিতে বিচার মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অন্যদিকে প্রেসিডেন্টের কার্যালয় হোয়াইট হাউস ওই অভিশংসন প্রস্তাবকে একপেশে, অবৈধ ও অসাংবিধানিক বলে অভিহিত করেছে। তদন্তে কোনো সহায়তা করবে না বলেও জানিয়েছে তারা।
প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। তিনি এমনটা বললেও, তদন্তের মধ্য দিয়ে সিনেটে ট্রাম্পের অভিশংসন প্রস্তাব উঠলে তা পাস হওয়ার সম্ভাবনা কম। কেননা কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে বিরোধীরা সংখ্যগরিষ্ঠ হলেও উচ্চকক্ষ সিনেট রিপাবলিকানদের দখলে।

Thursday, October 17, 2019

Golden Harvest InfoTech Ltd. is hiring Data Entry Operators-Job Circular




Golden Harvest InfoTech Ltd. is hiring Data Entry Operators

Are you looking for an opportunity to grow a career besides your study? Passionate about 

learn more? Then this is the right opportunity for you….

Golden Harvest InfoTech Limited is one of Bangladesh's leading, 100% export oriented and well 

established outsource company. To meet the growing demand of its clients, the company is in 

search of young and energetic candidates for data entry/BPO jobs. No. of Vacancy: 200

Job Responsibilities  Insert customer and account data by inputting text based and numerical information from 

source documents within time limits.  Compile, verify accuracy and sort information according to priorities to prepare source data 

for Computer entry.  Review data for deficiencies or errors, correct any incompatibilities if possible and check the 

output.

Additional Requirements  Age 18 to 35 years  Candidates should have good English comprehension.  Flexible for the experienced in the handwritten data entry field.  Typing speed of minimum 20-25 words per minute.

Educational Requirements: HSC / Bachelor Degree Ongoing.

Compensation: 

Selected Candidates will attend training and receive Trainee Allowance for training period.

Upon successful completion of training candidate can expect to earn minimum amount of Tk. 7000 

and with experiences it can grow up to Tk.25000 depends on candidate’s data production capacity.

Other Benefits:  2 Yearly Festival Bonus as per Company Policy.  Leave & Other facilities will be as per company policy. Students will be considered with their 

Exams and classes.  Attendance & Punctuality Bonus as per company policy.  Performance Bonus as per company policy.  Complementary tea and snacks.

Working Days & Time: 6 Days (Saturday to Thursday) with 2 shifts. 

Morning shift: 08:00 AM to 04:00 PM (Female & Male)

Evening Shift: 04:00 PM to 10:00 PM (Only Male).

                                                          Apply Now

Please send your Updated CV with attached photograph to ghitl.hr@gmail.com

Application Deadline:31-10-19

For more information please visit www.ghitbd.com




হৃতিকের নায়িকা কে এবার আসছে কৃষ-৪

 হৃতিকের নায়িকা কে এবার আসছে কৃষ-৪














কোই মিল গায়া, কৃষ-২ ও কৃষ-৩ পর এবার আসছে কৃষ-৪। গত বছরই এই ছবির কথা ঘোষণা করেছিলেন পরিচালক রাকেশ রোশন। কিন্তু তিনি হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়ায় পুরো প্রজেক্টটাই পিছিয়ে যায়।

থ্রোট ক্যান্সারের প্রথম স্টেজ ধরা পড়ে রাকেশের। এরপর বছর খানেক চিকিৎসা চলে তার। এবার পুরোপুরি সুস্থ হয়ে কাজে ফিরলেন রাকেশ। আর শুরু হয়ে গেল ‘কৃষ-৪’-এর শুটিংও। ২০২০ সালে সিনেমাটি মুক্তি পাবে।
বাবা-ছেলে হলে কী হবে? রাকেশ-হৃতিক জুটি মানেই হিট। এখন পর্যন্ত বাবার পরিচালনায় চার ছবিতে কাজ করেছেন হৃতিক। সব কটিই হয়েছে সুপারডুপার হিট। প্রথম ছবি ‌‌‘কাহো না পেয়্যার হ্যায়’তেই সুপারস্টারের তকমা পেয়ে যান তিনি। এর পর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।
২০০৩ সালে ‘কোই মিল গায়া’ কল্পবিজ্ঞান চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ান হৃতিক। এ ছবিটিই তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। গায়ে সেঁটে যায় সুপারম্যানের তকমা।
সিনেমাটির ব্যাপক সাফল্যের জেরে পরে দুটি সিক্যুয়েল নির্মিত হয়: কৃষ-২ ও কৃষ-৩। দুটি ছবিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি। বক্স অফিসেও সেগুলো প্রভূত সাফল্য অর্জন করে।
তবে হৃতিক রোশানের বিপরীতে নায়িকা হিসেবে কে থাকছেন সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। যদিও এ ছবির নায়িকা হওয়ার দৌঁড়ে অনেকটাই এগিয়ে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া অথবা ক্যাটরিনা কাইফ।

মুখ খুলেছেন সিদ্দিকের স্ত্রী মারিয়া মিম।


২০১২ সালের ২৪ মে। এদিন বিয়ে হয় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্পেনের নাগরিক মারিয়া মিম ও অভিনেতা সিদ্দিকের। সেই থেকে বেশ সুখের সংসার তাদের। দুজনের নিত্য দিনের সব আপডেট ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করতেন তারা। দুজনই তাদের ফেসবুক প্রফাইলে সন্তানকে নিয়ে দারুণ দারুণ ছবি পোস্ট করে জানান দিতেন বেশ চমৎকার আছেন তারা। কিন্তু হঠাৎ করেই তাদের সুখের সংসারে বিচ্ছেদের সুর বেজে উঠেছে। দুজনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে গরম হয়ে উঠেছে শোবিজ পাতা।
গত কয়েকদিন ধরে মিডিয়ার আলোচিত ঘটনা এ দম্পতির সংসার ভাঙার খবর। গত তিনমাস ধরে নাকি আলাদা থাকছেন অভিনেতা সিদ্দিক ও মারিয়া মিম।
তাদের পরিবারে ছয় বছরের এক পুত্র সন্তান থাকলেও ভাঙ্গনের মুখে তাদের সংসার। ইতিমধ্যে সকলের জানা হয়ে গেছে- কেন এই বিচ্ছেদ? তবে এবার মুখ খুলেছেন সিদ্দিকের স্ত্রী মারিয়া মিম।
প্রেমের টানে স্পেনের বিলাসী জীবন ছেড়ে অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের কাছে ছুটে এসেছিলেন মারিয়া। পরিবারের সম্মতি নিয়ে ভালোবেসেই ঘর বেঁধেছিলেন দু’জন। সেই ভালোবাসার ঘরে অন্ধকার নেমে এসেছে।
এদিকে বিচ্ছেদের আগে একে অপরের বিরুদ্ধে আনছেন নানা অভিযোগ। এর আগে সিদ্দিক জানান, কেবল মিডিয়ায় কাজ করতে না দেওয়াতে আলাদা থাকছেন মিম। সেই সঙ্গে মিমকে তিনি তার সংসারে ফিরে আসার আহ্বানও জানান।
অপরদিকে সিদ্দিকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তার স্ত্রী মারিয়া মিমের। তিনি বলছেন, ‘শুধু মিডিয়ায় কাজ করতে না দেওয়াই কারণ নয়; সিদ্দিকের সঙ্গে সংসার না করার শত শত কারণ রয়েছে। এমন অনেক বিষয় রয়েছে যা বললে গ্রেফতার হবেন সিদ্দিক।’
মারিয়া মিম বলেন, ‘সত্য কথা হলো, বিয়ের পর থেকে আমাদের মধ্যে মনের অ-মিল শুরু হয়। বিয়ের আগে আমার কোনো কিছু নিয়ে সিদ্দিকের আপত্তি ছিল না। কিন্তু বিয়ের পর সে আস্তে আস্তে পরিবর্তন হতে থাকে। বিয়ের আগের সিদ্দিক আর বিয়ের পরের সিদ্দিকের মধ্যে মিল খুজে পেতাম না। সব মেয়েদের স্বপ্ন থাকে, তার স্বামী একজন ভালো মনের মানুষ হবে। পাশাপাশি একটা সুন্দর সংসার গড়ার স্বপ্ন দেখে দু’জনে মিলে। আমি সেটাই চেয়েছিলাম মনে প্রাণে।’ 
তিনি আরও বলেন, ‘সিদ্দিক আমার সব কাজ নিয়ে অভিযোগ করে। আমি সব কিছু ছেড়ে দিতাম। যদি আমার স্বামী আমাকে মানসিকভাবে শান্তি দিতো ও ভালোবাসতো। সিদ্দিক ঠিক হয়ে যাবে, সুন্দর একটি পরিবার হবে- এই আশায় সাত বছর পার করলাম। সব সহ্য করে গেছি এতোদিন। তবে এখন অনুভব করছি, আসলে জোর করে কিছু হয়না। অন্তত সংসার-সম্পর্ক হয় না।’
মিম বলেন, ‘আমার পরিবার আর সিদ্দিকের সম্মানের কথা ভেবে ওর সবকিছু মেনে নিয়ে সংসার করে যাচ্ছি। বিয়ের পর থেকে সিদ্দিক আমার সঙ্গে নানাভাবে প্রতারণা করে আসছে। তারপর ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে সংসার করতে চেয়েছিলাম। সব কিছু তো আর বলা সম্ভব নয়, যদি বলতাম তাহলে এতদিনে ওকে জেলে থাকতে হতো।’
সন্তানের জন্য সংসারে ফেরার বিষয়ে মিম বলেন, ‘সন্তানের কথা ভেবেই এতোদিন চুপচাপ সব সহ্য করেছি। অথচ সে আমাকে সবসময় মানসিক টর্চারে রেখেছে। আমি তো একটা মানুষ। আমারও সঠিকভাবে বাঁচার অধিকার আছে। এত কষ্ট আর সহ্য হচ্ছিল না। ওর সংসারে আমার কোন স্বাধীনতা নেই। এখন সে আমাকে হুমকি দিচ্ছে বিভিন্নভাবে। তার নামে জিডিও করেছি। সে এখন আমার নামে মিডিয়ার সামনে মিথ্যা কথা বলে বেড়াচ্ছে। সব থেকে বড় কথা, আমার সন্তানের সঙ্গে আমাকে দেখা করতে দেয়না, কথা বলতে দেয়না। এটা একজন মায়ের জন্য কতটা কষ্টের তা কেবল মায়েরা বুঝতে পারবে। ঘরের মধ্যে সিদ্দিকের একরূপ, আর বাইরে তার আরেক রূপ।’

Friday, October 11, 2019

চুলকানির ঘরোয়া সমাধান ! চর্মরোগ থেকে মুক্তির উপায়

চুলকানির ঘরোয়া সমাধান

চুলকানি সমস্যা একটি বিব্রতকর সমস্যা।  সব রকমের চুলকানির জন্য চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে এমন কোনো কথা নেই।  ঘরোয়া চিকিৎসায় সমাধান হয়। আবার দেখা যায়, কিছু চুলকানি কোনো মারাত্মক রোগেরও উপসর্গ হতে পারে, যেমন- কিডনির রোগ, লিভারের রোগ, সেলিয়াক রোগ ও লিম্ফোমা।  ত্বকের এসব চুলকানির জন্য সাধারণ ঘরোয়া চিকিৎসায় প্রশমিত না হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে যেতে যেন ভুল না হয়।  এ প্রতিবেদনে চুলকানি উপশমের জন্য ৮ ঘরোয়া চিকিৎসা তুলে ধরা হলো।
* নারকেল তেল অথবা জলপাই তেল
চুলকানির সবচেয়ে সেরা ঘরোয়া চিকিৎসাটি হয়তো আপনার হাতের কাছেই রয়েছে। নারকেল তেল ও জলপাই তেল ত্বকের হাইড্রেশন বা আর্দ্রতার জন্য ভালো এবং ত্বকের ক্ষতি করে না, বলেন নর্থ ক্যারোলিনার চ্যাপেল হিলে অবস্থিত ডার্মাটোলজি অ্যান্ড লেজার সেন্টারের ত্বক বিশেষজ্ঞ ক্রিস জি. অ্যাডিগান।  যেকোনো শুষ্ক ও চুলকানির স্থানে এসব তেল মাখতে পারেন।
* ওটমিলের গুঁড়া
ওটমিলও ত্বকের চুলকানি উপশম করতে পারে।  গোসলের পানিতে অল্প পরিমাণ কলোইডাল ওটস (খুব সূক্ষ্ম ওটস পাউডার) মেশান। ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগোতে অবস্থিত আর্ট অব স্কিনের কসমেটিক সার্জন ও ডার্মাটোলজিস্ট মেলানি পাম বলেন, ‘কলোইডাল ওটমিল মিশ্রিত পানি দিয়ে গোসল করলে ত্বকের ওপর প্রদাহবিরোধী ও আরামদায়ক আস্তরণ পড়বে, ফলে চুলকানির মাত্রা কমে যাবে। রোদে পোড়া ত্বক বা চুলকানির চিকিৎসায় ভালো ফল পেতে কুসুম গরম পানিতে ওটমিল পাউডার যোগ করে গোসল করতে পারেন।’
* ভেজিটেবল ফ্যাট
ভেজিটেবল ফ্যাট (শর্টেনিং) কেবলমাত্র কাপকেকের জন্য নয়, এটি চুলকানির চিকিৎসায়ও কাজে আসতে পারে। ডা. পাম বলেন, ‘চুলকানি উপশমে ভেজিটেবল ফ্যাটের ব্যবহার শুনতে অদ্ভুত মনে হতে পারে, কিন্তু বাস্তবতা হলো ভেজিটেবল ফ্যাট একটি চমৎকার ময়েশ্চারাইজার। অনেক চিকিৎসক একজিমাপ্রবণ ত্বকের জন্য এ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পরামর্শ দিচ্ছেন।’
* পর্যাপ্ত পানি পান
চুলকানির চিকিৎসায় কেবলমাত্র শরীরের বাইরের দিক বা ত্বক নিয়ে ব্যতিব্যস্ত হবেন তা নয়, আপনার শরীরের ভেতরের দিকটাও বিবেচনায় রাখতে হবে। ডা. অ্যাডিগান বলেন, ‘প্রচুর পানি পান করে হাইড্রেটেড থেকে আপনার ত্বককেও হাইড্রেটেড বা আর্দ্র রাখতে পারেন।’ ত্বক আর্দ্র থাকলে চুলকানির প্রবণতা কমে যাবে।
* বেকিং সোডা
বেকিং সোডা মিশিয়ে গোসল করলে তা ত্বকের জন্য আরামদায়ক হতে পারে। মিনেসোটার রোজল্যান্ডে অবস্থিত তারিন ডার্মাটোলজির ত্বক বিশেষজ্ঞ মোহিবা তারিন বলেন, ‘ত্বকের চুলকানি কমাতে একটি কার্যকর উপায় হলো পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে গোসল করা। বেকিং সোডা ত্বকের পৃষ্ঠের অ্যাসিডকে নিষ্ক্রিয় করে প্রদাহ কমায়, পিএইচে ভারসাম্য আনে ও ত্বকের ওপরে বিদ্যমান ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে।’
* ভিটামিন ডি
শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন দিনগুলোতে চুলকানির প্রবণতা বেড়ে যায়। এটা কিন্তু কালতালীয় ব্যাপার নয়। শরীরে ভিটামিন ডি কতটুকু রয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে ত্বকের চুলকানি বাড়তে পারে অথবা কমতে পারে। ডা. তারিন বলেন, ‘আপনার শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি নিশ্চিত করতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ভিটামিন ডি কমে গেলে (সাধারণত শীতকালে) ত্বকের সমস্যা ও চুলকানি অগ্নিমূর্তি ধারণ করতে পারে।’
* অ্যালোভেরা
আপনি সম্ভবত জানেন যে, পোড়া ত্বকের নিরাময়ে অ্যালোভেরা বেশ কার্যকর। কিন্তু আপনি হয়তো এটা জানেন না যে, ত্বকের চুলকানি উপশমেও এ উদ্ভিদটি জাদুকরী ভূমিকা রাখতে পারে। ডা. অ্যাডিগান বলেন, ‘অ্যালোভেরা হলো একটি প্রদাহরোধী ওষুধ, একারণে ত্বকের অস্বস্তিকর চুলকানির জন্য এটি কার্যকর চিকিৎসা হতে পারে।’ অ্যালোভেরা থেকে তাজা জেল বের করে চুলকানির স্থানে প্রয়োগ করুন।
* ওমেগা ৩
একটি স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হলো ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা ত্বকে চুলকানির তাড়না দমন করতে সহায়ক হতে পারে। ডা. তারিন চুলকানির সমস্যায় ভোগা লোকদের বেশি করে ওমেগা ৩ সমৃদ্ধ খাবার খেতে উৎসাহিত করছেন, যেমন- অ্যাভোকাডো, বাদাম ও স্যালমন মাছ। পর্যাপ্ত ওমেগা ৩ খেলে আপনার ত্বকেও এ ফ্যাটের অনুপ্রবেশ ঘটবে, ফলে চুলকানি প্রশমিত হবে।

মিষ্টি আলুর যত গুণ

মিষ্টি আলুর যত গুণ
লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান ফ্রান্সিসকোর স্পোর্টস ডায়েটিশিয়ান ইয়াসি আনসারি বলেন, ‘সাধারণত আপনার খাদ্য তালিকায় যত বেশি রঙিন ফল ও শাকসবজি যোগ করা যায় তত ভালো’।  মিষ্টি আলু বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে এবং তা পুষ্টিতে ভরপুর। গোল আলুর সকল স্বাস্থ্য উপকারিতাই মিষ্টি আলুতে রয়েছে এবং এছাড়াও মিষ্টি আলু আরো কিছু উপকার করে।  এটি আপনার হার্ট ও ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করে, দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষিত রাখে, টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে রক্ষা করে।
এ প্রতিবেদনে মিষ্টি আলুর পুষ্টিগুণ ও কিভাবে মিষ্টি আলু খাবেন তা সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো।
মিষ্টি আলুর পুষ্টি উপকারিতা কী?
সকল আলু পুষ্টিতে সমৃদ্ধ এবং আপনার জন্য স্বাস্থ্যকর, বলেন নিউ ইয়র্কে অবস্থিত বিজেড নিউট্রিশনের স্বত্ত্বাধিকারী ও ডায়েটিশিয়ান ব্রিজিটি জিটলিন। কিন্তু মিষ্টি আলুতে (কমলা, হলুদ ও পার্পল রঙের মিষ্টি আলু) গোল আলুর তুলনায় কম ক্যালরি ও কার্বোহাইড্রেট থাকে। মিষ্টি আলুতে উচ্চ মাত্রায় ‘ভিটামিন এ’ থাকে। ‘ভিটামিন এ’ হচ্ছে একটি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, যা ইমিউনিটি বৃদ্ধি করে এবং সুস্থ ত্বক ও দৃষ্টি বজায় রাখতে সাহায্য করে। একটি মিষ্টি আলু আপনাকে দৈনিক সুপারিশকৃত ১০০ শতাংশের বেশি ভিটামিন এ সরবরাহ করে, ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাগ্রিকালচার অনুসারে।
মিষ্টি আলুতে প্রচুর ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি৬ থাকে, যা মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামেরও ভালো উৎস, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে হার্টের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। এছাড়া একটি মিষ্টি আলুতে প্রায় চার গ্রাম উদ্ভিজ্জ ফাইবার রয়েছে, যা আপনাকে স্বাস্থ্যসম্মত ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং ক্রনিক রোগের ঝুঁকি কমায়, যেমন- টাইপ ২ ডায়াবেটিস ও উচ্চ কোলেস্টেরল।
মিষ্টি আলুতে উচ্চ কার্বোহাইড্রেট থাকে?
স্টার্চি রুট ভেজিটেবল হিসেবে মিষ্টি আলুতে নন-স্টার্চি ভেজিটেবলের (যেমন- ব্রকলি) চেয়ে বেশি কার্বোহাইড্রেট থাকে। অর্ধ বাটি মিষ্টি আলুতে প্রায় ১৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে, যেখানে সমপরিমাণ ব্রকলিতে থাকে প্রায় ৩ গ্রাম। কিন্তু এটি হতে পারে মিষ্টি আলু খাওয়ার অন্যতম কারণ, ভয় পাওয়ার নয়।  আনসারি বলেন, ‘নন-স্টার্চি সবজির তুলনায় মিষ্টি আলু বেশি শক্তির যোগান দেয়, যে কারণে এটি দৈনন্দিন কার্যক্রম ও অ্যাথলেটিক পারফরম্যান্সের জন্য একটি ব্যতিক্রমী জ্বালানি উৎস।’ সারকথা হচ্ছে, সকল শাকসবজিই আপনার ডায়েটে যুক্ত করার মতো স্বাস্থ্যকর অপশন এবং তারা বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সরবরাহ করে থাকে, বলেন জিটলিন।
মিষ্টি আলু খাওয়ার সবচেয়ে স্বাস্থ্যসম্মত উপায় কি?
কেনার সময় গাঢ় রঙের মিষ্টি আলু কিনুন। কিছু গবেষণায় পাওয়া গেছে, মিষ্টি আলুর রঙ (এটি কমলা, হলুদ অথবা পার্পল যে রঙেরই হোক না কেন) যত বেশি গাঢ় হবে, পুষ্টিগুণ তত বেশি হবে। খোসা ছাড়িয়ে মিষ্টি আলু খাবেন না। সব ধরনের আলু খাওয়ার সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায় হচ্ছে খোসাসহ খাওয়া, কারণ এতে প্রচুর ফাইবার থাকে, বলেন জিটলিন।  খোসায় প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও থাকে।
মিষ্টি আলু রান্নার সর্বোত্তম উপায়?
আপনি স্টিমিং, রোস্টিং, বেকিং অথবা বয়েলিং যেভাবেই মিষ্টি আলু খান না কেন, পুষ্টি পাবেন। তাই মিষ্টি আলু প্রস্তুতের সকল পদ্ধতিই পুষ্টিকর। আপনি সয়ামিল্ক, প্রোটিন পাউডার ও দারুচিনিসহ স্মুদিতে মিষ্টি আলু মেশাতে পারেন অথবা মিষ্টি আলু ব্লেন্ড করে স্যূপে যোগ করতে পারেন। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ ডেজার্ট হিসেবে মিষ্টি আলুর ভর্তা চমৎকার: এতে মধু যোগ করুন এবং আখরোট ছিটান। মিষ্টি আলুকে বেশিক্ষণ রান্না করবেন না, কারণ দীর্ঘক্ষণ রান্না করলে পুষ্টিগুণ কমে যায়। ফ্যাটের কথা ভুলে যাবেন না। ভিটামিন এ এর মতো ফ্যাট-সলিউবল ভিটামিন ফ্যাট সোর্সের সঙ্গে ভালোভাবে শোষিত হয়, তাই মিষ্টি আলুর সঙ্গে অল্প পরিমাণে ফ্যাট খান। মিষ্টি আলুর সঙ্গে ফ্যাট সমন্বয়ের একটি স্বাস্থ্যসম্মত অপশন হচ্ছে অলিভ অয়েল- বেকিংয়ের পূর্বে মিষ্টি আলুর ওপর অল্প পরিমাণে অলিভ অয়েল ছিটাতে পারেন। অন্য একটি উপায় হচ্ছে অ্যাভোক্যাডো, পিক্যান অথবা আখরোটের পাশাপাশি মিষ্টি আলু খাওয়া।

Thursday, October 10, 2019

অকালমৃত্যু ডেকে আনছে যে খাবারগুলো

 অকালমৃত্যু ডেকে আনছে যে খাবারগুলো,যেসব খাবার দ্রুত অকালমৃত্যু ডেকে আনছে আপনার

এক সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, প্রতিবছর এক কোটিরও বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে শুধু খাবারের কারণেই। খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। কারণ কিছু খাবার আছে যা অকালমৃত্যু ডেকে আনছে।
ল্যানসেটে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, দৈনন্দিন যে খাদ্য তালিকা সেটিই ধূমপানের চেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটায়। বিশ্বব্যাপী প্রতি পাঁচটি মৃত্যুর মধ্যে একটির জন্য এই ডায়েট বা খাবারই দায়ী। খবর-বিবিসি।
লবণ রুটি, সস বা মাংস যে খাবারের সঙ্গে খাওয়া হোক না কেন? এই খাবার জীবনের আয়ু কমিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
গবেষকরা বলছেন, নিম্নমানের খাদ্যাভ্যাস হৃদযন্ত্রের ক্ষতি করছে বা ক্যান্সারের কারণ হচ্ছে।
দ্য গ্লোবাল বার্ডেন অফ ডিজেস স্টাডি হল গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যবেক্ষণ যেখানে দেখা হয়েছে কিভাবে বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে মানুষ মারা যাচ্ছে।
বিপজ্জনক খাদ্য হিসেবে যে সব উপাদানের কথা বলা হচ্ছে –
১. অতিরিক্ত লবণ- ৩০ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ।
২. কম দানাদার শস্য খাওয়া- ৩০ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ।
৩. ফল-মূল কম খাওয়া- ২০ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ।
৪. বাদাম, বীজ, শাক-সবজি, সামুদ্রিক থেকে পাওয়া ওমেগা-৩ এবং আঁশ জাতীয় খাবারের পরিমাণ কম হওয়াটাও মৃত্যুর বড় কারণগুলোর অন্যতম।
ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্রিস্টোফার মুরে বলেন, ডায়েটকেই আমরা স্বাস্থ্যের অন্যতম প্রধান পরিচালক হিসেবে পেয়েছি। এটা সত্যিই অনেক গভীর।
১ কোটি ১০ লাখ ডায়েট সম্পর্কিত মৃত্যুর মধ্যে ১ কোটির মৃত্যু হচ্ছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে। অতিরিক্ত লবণ উচ্চ রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় যা স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
হার্টে ও রক্ত বহনকারী ধমনীর ওপর লবণের প্রভাব পড়ে সরাসরি যা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধের ঝুঁকি তৈরি করে

নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।


ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বুধবার (৯ অক্টোবর) তিন মামলায় তার বিরুদ্ধে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান রহিবুল ইসলাম।
নিজের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কমিউনিকেশন্স প্রতিষ্ঠানে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করায় চাকরিচ্যুতের অভিযোগে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করা হয়। এদিন তিন মামলায় সমনের জবাব দেয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল।
কিন্তু ড. ইউনূস আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। মামলার অপর দুই আসামি হলেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা ও উপ-মহাব্যবস্থাপক খন্দকার আবু আবেদীন।
ড. ইউনূসের আইনজীবী রাজু আহম্মেদ আদালতকে বলেন, ড. ইউনূস সম্মানিত ব্যক্তি। তিনি ব্যবসার কাজে বিদেশ অবস্থান করছেন। তিনি দেশে আসলে আদালতে উপস্থিত হবেন।
মামলার বাদী প্রস্তাবিত গ্রামীণ কমিউনিকেশন্স শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম বলেন, প্রতিষ্ঠানে ইউনিয়ন গঠন করার কারণে চাকরিচ্যুত করায় আমরা ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা করি। তিনি আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
অপরদিকে মামলার অপর দুই আসামি গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা ও উপ-মহাব্যবস্থাপক খন্দকার আবু আবেদীন আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ৩ জুলাই ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের সদ্য চাকরিচ্যুত সাবেক তিন কর্মচারী। আদালত ৮ অক্টোবর তাদের হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন।